অপারেটিং সিস্টেম কি ? অপারেটিং সিস্টেম কিভাবে কাজ করে ?

হ্যালো ফ্রেন্ডস! কেমন আছেন ? আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। সুতরাং আজকের এই আর্টিকেলএ , আমরা অপারেটিং সিস্টেম কি ? অপারেটিং সিস্টেম কিভাবে কাজ করে ? এই  সম্পর্কে  সুম্পন্ন তথ্য পেতে চলেছি।

আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন যে আপনার মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম কি ? আপনার মোবাইলে অপারেটিং সিস্টেম কিভাবে কাজ করে ? কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম কি। প্রথম অপারেটিং সিস্টেম কি ? অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্ব। অপারেটিং সিস্টেম এর কাজ কি? এই সব বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো এই ব্লগ আর্টিকেলএ।

অপারেটিং সিস্টেম কি অপারেটিং সিস্টেম কিভাবে কাজ করে

তো বন্ধুরা, আজকের আর্টিকেলএ অপারেটিং সিস্টেম কি ? এটি সম্পর্কে  সুম্পন্ন তথ্য পেতে চলেছে। যার মধ্যে আমরা অপারেটিং সিস্টেম কিভাবে কাজ করেএই বিষয়ে সম্পূর্ণ তথ্য দেব।

অপারেটিং সিস্টেম কি

অপারেটিং সিস্টেম একটি সফ্টওয়ার। যেটা ব্যবহার করে হার্ডওয়্যার এর মধ্যে অপারেটিং সিস্টেম হয়ে কাজ করে। অপারেটিং সিস্টেম এর প্রথম কাজ হলো কম্পিউটার অথবা মোবাইলের হার্ডওয়ার এর সাথে এপ্লিকেশন সফ্টওয়ার গুলিকে সঠিক ভাবে পরিচালনা করা।

অপারেটিং সিস্টেম নিদেশ মতন কিবোর্ড থেকে ইনপুট নিয়ে গণনা করে কম্পিউটার স্ক্রিন এ আউট পুট দেয়। কম্পিউটার এর হার্ডওয়্যার অপারেটিং সিস্টেম এর ভাষা বুঝতে পারে। আর অপারেটিং সিস্টেম এপ্লিকেশন সফ্টওয়ার এর ভাষা বঝে। অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া মোবাইলে  , কম্পিউটারে আপনি এপপ্স ব্যবহার করতে পারবেন না।

অপারেটিং সিস্টেম কিভাবে কাজ করে

অপারেটিং সিস্টেম অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে  যেমন স্যামসুং কোম্পানির একটি মোবাইল আর মোবাইলটি  হলো এন্ড্রোইড। আর ওই মোবাইলে ইউটিউব এপপ্স আছে। তো বন্ধু এখানে স্যামসুং মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম হলো এন্ড্রোইড আর ওই এন্ড্রোইড অপারেটিং সিস্টেম এর উপর নিভর করে ইউটিউব এর মতন সব এপ্লিকেশন সফটওয়্যার গুলি চলছে।

এটাও পড়ুন: ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক গুলি কি । ফেসবুক ব্যবহারের কুফল

অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার হার্ডওয়্যার আর এপ্লিকেশন সফটওয়্যার এর মধ্যে থাকে। অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়ার প্রথমে হার্ডওয়্যার উপর চালু হয়। হার্ডওয়্যার এর উপর চালু হওয়ার পরে অপারেটিং সিস্টেম ওই ডিভাইস এর হার্ডওয়্যার আর অপারেটিং সিস্টেম এর ভার্সন এর ক্ষমতা অনুয়ারি এপ্লিকেশন ইনস্টল করতে দেয়।

টিক একই ভাবে একটি অপারেটিং সিস্টেম তার হার্ডওয়্যার এর উপর ভিত্তি করে অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়ার টি ইন্সস্টল করা হয়।

অপারেটিং সিস্টেম এর কাজ কি

তো বন্ধু আমরা জেনে গেছি যে অপারেটিং সিস্টেম কি আর অপারেটিং সিস্টেম কিভাবে কাজ করে। এখন আমরা দেখবো যে অপারেটিং সিস্টেম মোবাইল আর কম্পিউটার এ কিভাবে কি কাজ করে।

সমস্ত অপারেটিং সিস্টেম এই কাজটি যেরকম এন্ড্রোইড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে আপনি আপনার এন্ড্রোইড মোবাইল সুইস অন আর সুইস অফ করতে পারেন। একই ভাবে কম্পিউটারে শর্ট ডাউন আর চালু অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।

মনে করুন কোনো হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে যদি  কোনো স্ক্রিন অথবা যে কোনো জায়গায় যে কাজটা করানো হয় আর ওই কাজটি যে করে সেটা হলো অপারেটিং সিস্টেম এর মূল কাজ।

প্রোগ্রাম পরিচালনা করা: প্রোগ্রাম কে পরিচালনা করা অপারেটিং সিস্টেম এর একটি গুরুত কাজ গুলির মধ্যে একটি। অপারেটিং সিস্টেম তার রুটিন আর Function অনুয়ারি কাজ করে।

ইনপুট / আউটপুট অপারেশন: ব্যবহারকারী সরাসরি কোনও ইনপুট বা আউটপুট ডিভাইস পরিচালনা করতে পারে না, সুতরাং এটি অপারেটিং সিস্টেমটিতে সমস্ত সুবিধা সরবরাহ করে।

ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ: ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করা অপারেটিং সিস্টেমের আরও একটি প্রধান কাজ। অপারেটিং সিস্টেম একটি স্টোরেজ ডিভাইসে ফাইল সিস্টেম পরিচালনা করে, নিয়ন্ত্রণ করে এবং সমন্বয় করে।

সমস্যা প্রতিবেদন এবং সংশোধন: অপারেটিং সিস্টেম প্রতিটি নির্দিষ্ট ত্রুটির জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে, পরীক্ষার রিপোর্ট দেয় এবং ত্রুটির ক্ষেত্রে সমস্যাগুলিরও যত্ন নেয়।

রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট: অপারেটিং সিস্টেম প্রোগ্রাম এবং হার্ডওয়্যার ম্যানেজমেন্ট সমস্ত উল্লেখযোগ্যভাবে কম্পিউটার পরিচালনায় বিতরণ করা হয়।

নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা: আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমগুলি কম্পিউটারকে এক বা একাধিক কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসে সংযুক্ত করে কাজ করে।

ব্যবহারকারী ইন্টারফেস: অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ যা ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন সফ্টওয়্যারের সাথে সংযুক্ত করে, পরিচালন, নির্দেশাবলী গ্রহণ করে। এছাড়াও, সফ্টওয়্যার নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন প্রোগ্রাম লিভারেজ এবং কাজের সুবিধাদি জেনারেট করে।

ইউজার ম্যানেজমেন্ট: কম্পিউটার হার্ডওয়্যার যেমন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলি (মাউস, কীবোর্ড, প্রিন্টার, মনিটর ইত্যাদি) নিয়ন্ত্রণ করে এবং সিঙ্ক্রোনাইজ করে।

নিরাপত্তা: অপারেটিং সিস্টেম অজ্ঞাত ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে কম্পিউটার রিসিভারকে সুরক্ষা দেয়। এটি ডেটা এবং তথ্য চুরি রোধ করে।

সব থেকে বেশি ব্যাবহৃত অপারেটিং সিস্টেম গুলি হলো

  • DOS
  • Windows
  • UNIX
  • Linux
  • MAC OS
  • Android

ডস অপারেটিং সিস্টেম কি

DOS অপারেটিং সিস্টেম এর পুরো নাম হলো Disk Operating System. মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন (Microsoft Corporation) আইবিএম IBM কম্পিউটারের জন্য সবার প্রথমে ডস অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কার করে।

আইবিএম কম্পিউটারে ব্যবহৃত ডসকে পিসি-ডস বলে। আইবিএম ব্যতীত অন্য কম্পিউটারে ব্যবহৃত ডস এমএস-ডস হিসাবে পরিচিত ছিল। আগের ডস মাল্টিটাস্কিং করা যায়নি এবং গ্রাফিকাল ইন্টারফেসও ছিল না।

এই অপারেটিং সিস্টেমটি পরে ব্যাপকভাবে আপগ্রেড করা হয়েছিল এবং এর ভিত্তিতে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমটি বিকশিত হয়েছিল।

কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম কি (উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম কি)

উইন্ডোজ একটি বহুল ব্যবহৃত এবং জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম, মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন, একটি সুপরিচিত আমেরিকান কর্পোরেশন দ্বারা নির্মিত।

প্রথমদিকে, উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমটি ডস অপারেটিং সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে ছিল। এই কারণে উইন্ডোগুলিকে আলাদা অপারেটিং সিস্টেম বলা হয় না।

উইন্ডোজ ৪ প্রথম বছরে বাজারে চালু হয়েছিল। তারপরে ৫ সংস্করণে, সংস্করণ ৬.২ ​​এবং ৬.২ প্রকাশিত হয়েছিল। সে বছর উইন্ডোজ ৯৫ এবং উইন্ডোজ ৯৭ প্রকাশিত হয়েছিল। এই উইন্ডোগুলি চালানোর জন্য ডসের প্রয়োজন ছিল না।

যাইহোক, উইন্ডোজ 7 এর বাজারের জন্য সর্বাধিক চাহিদা ছিল। তারপরে উইন্ডোজ ৯৮ চালু করা হয়েছিল। তারপরে উইন্ডোজ এক্সপি, ভিস্তা, ৭, ৮, ১০ বাজারে রয়েছে। উইন্ডোজ বর্তমান বাজারে সর্বাধিক বর্তমান এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম।

ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম কি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেল টমসন একটি বেল পরীক্ষাগারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিক্স অপারেটিং তৈরি করেছিলেন। যদিও এটি প্রাথমিকভাবে একটি মিনি কম্পিউটারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, পরে এটি মেইনফ্রেম এবং মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়েছিল।

ইউএনআইএক্স মাল্টিটাস্কিং এবং মাল্টি ইউজার অ্যাপ্লিকেশনটির জন্য একটি শক্তিশালী এবং কার্যকর অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে বিবেচিত হয়েছিল।

লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম কি

লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমটি ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ। লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হল এর সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং গ্রাফিক্সকে অত্যন্ত শক্তিশালী করা। বিভিন্ন অফিস, সংস্থা এবং সার্ভারগুলিতে লিনাক্সের ব্যবহার ব্যাপকভাবে দেখা যায়।

লিনাস তারভোলাদাস এই অপারেটিং সিস্টেমের মূল, কর্নাল আবিষ্কার করেছিলেন এবং 12 বছরে, তিনি একটি মুক্ত উত্স হিসাবে বাজারে খোলেন। জিএনইউ নামে একটি সংস্থা বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট এবং ইউটিলিটি যুক্ত করে এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে তৈরি করেছে।

ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম কি

ম্যাকিনটোজ অপারেটিং সিস্টেমটি ম্যাক ওএসের সম্পূর্ণ রূপ। অ্যাপল কম্পিউটার ইনক। আমেরিকার জেরক্স কোম্পানি নামে তৈরি ম্যাকিনটোস লিজা অপারেটিং সিস্টেমের লাইসেন্স নিয়ে একটি ম্যাক ওএস তৈরি করেছিল। এটি একটি গ্রাফিকাল অপারেটিং সিস্টেম।

এটি যে কোনও ব্যবহারকারী সহজেই অ্যাক্সেস করতে পারবেন। অ্যাপলের কম্পিউটার ছাড়াও এটি অন্যান্য সংস্থার কম্পিউটারে সহজেই ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে তারপরে সম্পূর্ণ পারফরম্যান্স পাওয়া যায় না।

অপারেটিং সিস্টেম কত প্রকার

অপারেটিং সিস্টেম ৭ প্রকারের হয় যেমন

  1. Batch Operating System
  2. Multitasking/Time Sharing OS
  3. Multiprocessing OS
  4. Real Time OS
  5. Distributed OS
  6. Network OS
  7. Mobile OS

ব্যাচ অপারেটিং সিস্টেম: কিছু কম্পিউটার প্রক্রিয়া খুব দীর্ঘ এবং সময়সাপেক্ষ। একই প্রক্রিয়াটির গতি বাড়ানোর জন্য, একই ধরণের প্রয়োজনীয়তা সহ একটি কাজ এক সাথে আবদ্ধ হয় এবং একটি গোষ্ঠী হিসাবে চালানো হয়। ব্যাচ অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহারকারী কখনও কম্পিউটারে সরাসরি যোগাযোগ করে না। এই ধরণের ওএসে, প্রতিটি ব্যবহারকারী একটি পাঞ্চ কার্ডের মতো অফলাইন ডিভাইসে তাদের কাজ প্রস্তুত করে এবং কম্পিউটার অপারেটরের কাছে উপস্থাপন করে।

মাল্টিটাস্কিং / সময় ভাগ করে নেওয়ার অপারেটিং সিস্টেম: মাল্টিটাস্কিং / টাইম শেয়ারিং ওএস একই সময়ে একই কম্পিউটার সিস্টেমে একটি আলাদা টার্মিনাল (শেল) ব্যবহার করতে সক্ষম করে। প্রসেসরের সময় (সিপিইউ) যা একাধিক ব্যবহারকারীর মধ্যে ভাগ করা হয় তাকে টাইম শেয়ারিং ওএস বলে।

ডিস্টিবিউটেড অপারেটিং সিস্টেম: ডিস্টিবিউটেড করা অপারেটিং সিস্টেমগুলি তাদের ব্যবহারকারীকে খুব দ্রুত গণনা সরবরাহ করতে বিভিন্ন মেশিনে অবস্থিত একাধিক প্রসেসর ব্যবহার করে।

নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম: নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম একটি সার্ভারে চলে। এটি ডেটা, ব্যবহারকারী, অ্যাপ্লিকেশন, নেটওয়ার্কিং ফাংশন পরিচালনা করার ক্ষমতা সরবরাহ করে।

মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং পরিধেয় ডিভাইসগুলি পাওয়ার জন্য বিশেষত ডিজাইন করা মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম ওএস রয়েছে। সর্বাধিক পরিচিত মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমগুলির মধ্যে কয়েকটি হল অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস, তবে অন্যদের মধ্যে রয়েছে ব্ল্যাকবেরি, ওয়েব এবং ওয়াচওএস।

অপারেটিং সিস্টেমের ইতিহাস

  • টেপ স্টোরেজ পরিচালনার জন্য ১৯৫০ এর দশকের শেষদিকে অপারেটিং সিস্টেমটি প্রথম বিকাশ করা হয়েছিল।
  • জেনারেল মোটরস গবেষণা ল্যাব ১৯৫০ এর দশকের গোড়ার দিকে আইবিএম ৭০১ এর জন্য প্রথম ওএস প্রয়োগ করে
  • ১৯৬০ এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে, অপারেটিং সিস্টেমটি ডিস্ক ব্যবহার শুরু করে।
  • ১৯৬০ এর দশকের শেষদিকে, ইউনিক্স ওএসের প্রথম সংস্করণটি বিকাশ করা হয়েছিল।
  • মাইক্রোসফ্ট তৈরি প্রথম ওএস ছিল ডস। এটি ১৯৮১ সালে সিয়াটল কোম্পানির ৮৬ ডস সফটওয়্যার দ্বারা নির্মিত হয়েছিল।
  • বর্তমানে জনপ্রিয় ওএস, উইন্ডোজ প্রথম ১৯৮৩ সালে অস্তিত্ব নিয়ে আসে যখন একটি জিইউআই তৈরি হয়েছিল এবংএমএস-ডস যুক্ত করা হয়েছিল।

শেষ কথা: আসা করি আপনি বুঝতে পারছেন যে অপারেটিং সিস্টেম কি ? অপারেটিং সিস্টেম কিভাবে কাজ করে ? এখনো যদি আপনার মনে কোনো পশ্ন থাকে এই বিষয় নিয়ে আপনি নিচে কমেন্টস করে আমাদের জানান আমরা আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। এই পোস্টি সম্পন্ন পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

Shere this post:

2 thoughts on “অপারেটিং সিস্টেম কি ? অপারেটিং সিস্টেম কিভাবে কাজ করে ?”

Leave a Comment